শিলিগুড়ি,৫ সেপ্টেম্বর: ডাবগ্রাম ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর একটিয়াশাল এলাকার ক্ষুদিরাম কলোনীতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা। নেই ড্রেনের ব্যবস্থা, নেই জলনিকাশিরও সমাধান। ফলে বৃষ্টির জলে রাস্তায় জল জমে তৈরি হয়েছে বেহাল পরিস্থিতি। বহুবার পঞ্চায়েত সদস্যকে অনুরোধ করা হলেও কোনও সমাধান মেলেনি। প্রধানের বক্তব্য—“এখন কাজ দেওয়া সম্ভব নয়।”
অবশেষে বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই চাঁদা তুলে কালভার্ট তৈরির দায়িত্ব নিলেন। আশেপাশে একাধিক বেসরকারি স্কুল ও শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকায় প্রতিদিন বড় গাড়ির যাতায়াত হয় এলাকায়। কিন্তু রাস্তাঘাটের এমন দুরবস্থায় হেঁটেই চলাফেরা করা দায় হয়ে পড়েছিল। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে নিজেরাই উদ্যোগ নিলেন স্থানীয়রা। বর্তমানে কালভার্টের কাজ প্রায় শেষের পথে।
স্থানীয় বাসিন্দা বিষ্ণু রায় বলেন,
“প্রধানকে আমরা কোনওদিন চোখেই দেখিনি। পঞ্চায়েত সদস্যকে বারবার জানিয়েছি, কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। শেষমেষ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আমরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছি। কাজ যাতে ভালোভাবে হয় সেটার তদারকিও আমরাই করছি।” যখন-তখন দুর্ঘটনা ঘটত। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সাহায্যের আশা ছেড়েই আমরা বিকল্প পথ খুঁজেছি।”
অন্যদিকে, এই বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অশোক বর্মণ জানান,
“ওরা বহুদিন ধরেই আমার কাছে আবেদন করছিল। আমি প্রধানকেও জানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধান বলেন এখন কাজ দেওয়া সম্ভব নয়। আমি ওদের বলেছিলাম—আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান ক্যাম্প থেকে একটা চেষ্টা করব। তবে এরপরেই ওরা নিজেদের উদ্যোগে কাজ শুরু করে।”
ডাবগ্রাম দুই এর প্রধান মিতালি মালাকার শহরের বাইরে থাকার কারনে তার সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।