মাস খানেক আগেই এটিএম ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি হয়েছিল। সেই ঘটনায় যদিও রেহাই পায়নি দুষ্কৃতীরা। তারপরেও চুরির ঘটনা ঘটানো থেকে বিরত থাকছে না দুষ্কৃতীরা। আদৌ চুরি ডাকাতি করাই কি তাদের লক্ষ্য? নাকি পুলিশকে হয়রান করানোই তাদের মূল লক্ষ্য? চিন্তার ভাঁজ পুলিশ মহলে। গত ১লা সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ির হায়দর পাড়ার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এটিএমে লুটের চেষ্টা। যদিও পরিকল্পনা সফল করতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। শুধুমাত্র এটিএম ভাঙচুর পর্যন্তই আটকে ছিল, তারপর আর সেখান থেকে টাকা বের করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ২০-র এক যুবক, নাম রাকেশ বর্মন। সেই ওই এটিএমে ভাঙচুর চালায়। তার সাথে জড়িত ছিল রনো দে। দুজনকেই আটক করেছে পুলিশ। ধৃত রাকেশের বাড়ি শিলিগুড়ির হায়দার পাড়ার গৌরাঙ্গ পল্লী এলাকায়। আর রনোর বাড়ি মালবাজারের বানারহাট এলাকায় হলেও, বেশিরভাগ সময় শিলিগুড়িতেই থাকে বলে জানা গিয়েছে। শুনলে অবাক হবেন, অভিযুক্ত এই যুবকদের বয়স মাত্র ২০-২২ বছরের মধ্যে। এবং অন্যান্য সময়েও যে সমস্ত দুষ্কৃতি মূলক কর্মকান্ড ঘটেছে শহর শিলিগুড়িতে, সেই অভিযুক্তদের অনেকেরই বয়স মাত্র ২০-৩৫ এর আশপাশেই। প্রশ্ন হল, যুবকদের মধ্যেই কি তাহলে এই চুরির প্রবণতা বাড়ছে? কিন্তু কেন? এর নেপথ্যের কারণ কি? চাকরির বাজারে মন্দা নাকি বেকার সমস্যা?