শিলিগুড়ির জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। ডঃ কুশল দাশগুপ্ত “প্রাইড অফ কর্ণাটক – মহাদেবপুরা রত্ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” সম্মানে ভূষিত হলেন। বেঙ্গালুরুর এসডিপি প্যালেসে আয়োজিত ভারত মাতা পূজা ও মহাদেবপুরা উৎসব ২০২৬-এ এই সম্মান প্রদান করা হয়। কুশল শিলিগুড়ির প্রখ্যাত চিত্র সাংবাদিক কৌশিক দাশগুপ্তের কনিষ্ঠ পুত্র ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ডঃ সাই কৌশ্তভ দাশগুপ্তের ছোট ভাই। বর্তমানে কর্মসূত্রে তিনি বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছেন তাঁর বাবা-মা ও বড় ভাইয়ের সঙ্গে।
এই সম্মান কুশলকে প্রদান করেন প্রাক্তন কর্ণাটকের মন্ত্রী অরবিন্দ লিম্ববালী এবং মহাদেবপুরা বিধায়ক মঞ্জুলা অরবিন্দ লিম্ববালী । চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রযুক্তি, অভিনব ভিজ্যুয়াল ডিজাইন এবং সামাজিক প্রভাবের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ডঃ কুশলকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গালুরু সিটি এক্সিকিউটিভ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ম সেবক সংঘ -এর শ্রী করুণাকর রাই, সাংসদ পি সি মোহন, সহ বিশিষ্ট নেতা, শিল্পী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
১৫টিরও বেশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী ডঃ কুশাল তাঁর আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র “ইনক্রেডিবল ইনসাইট” লন্ডন, পর্তুগাল, আমেরিকা এবং ভারতের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছে, যা তাঁকে ভারতের অন্যতম তরুণ সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শিল্পের পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও তিনি সমানভাবে অগ্রণী। টেক ফর সোশ্যাল গুড উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতার প্রসার ঘটিয়ে তিনি সমাজে প্রেরণাদায়ক পরিবর্তন আনছেন। একজন গুডউইল অ্যাম্বাসেডর ও যুব আইকন হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা নিয়েছেন।
সম্মান গ্রহণ করে কুশল বলেন, “এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং তাঁর প্রত্যেক শিক্ষক, পরামর্শদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশেষ করে পরিবারের প্রতি এক যৌথ সম্মান, যাদের ছাড়া এই সফলতা অসম্পূর্ণ।” অদম্য অধ্যবসায়, সৃজনশীলতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজের সম্মুখে ডঃ কুশল দাশগুপ্ত আজ শিলিগুড়ি ও ভারতের গর্ব — বিশ্বমঞ্চে এক উজ্জ্বল নাম। বিউরো রিপোর্ট।