কম বেশি আমরা সকলেই বাইরের খাওয়ার পছন্দ করে থাকি সে তা সকালের ব্রেক ফাষ্টে বাইরের কোনো দোকান থেকে বা রেস্তুরার গরম গরম ফুলকো লুচি হোক কিংবা দুপুরের লাঞ্চ ও রাতের ডিনার , তবে মন ভোরে যে এই খাবার গুলি খাচ্ছেন আদেও কি জানেন কোথায় বা কোন পরিবেশে তৈরী করা হচ্ছে সেই খাওয়ার ? সঠিক উপাদান কি ব্যবহার করা হচ্ছে খাবারে ?

মাস কয়েক আগে শিলিগুড়ির চম্পাসারির একটি বিরিয়ানির দোকানের ঘটনা কাঁপিয়ে দিয়েছিল সকলকে ! যেখানে এক কলেজ ছাত্রীর বিরিয়ানির মাংসের মধ্যে কিলবিল করছিলো একগাঁদা পোকা ! ছাত্রীটি অতি সাহসিকতার সঙ্গে বিষয়টি তুলে ধরে আর এর পরেই শোরগোল পরে যায় নিম্ন থেকে উচ্চতর মহলে , রাজনৈতিক বিক্ষোভ ও দেখা যায় । নড়ে চড়ে বসে শিলিগুড়ি পৌরনিগম , শুরু হয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান , অভিযান শুরু হতেই চোখ যেন কপালে ওঠার মতো পরিস্থিতি ! কোথাও রাখা বাসি পচা মাংস তো কোথাও আবার রাখা অনেক দিন আগে রান্না করে রাখা খাওয়ার , খাওয়ারে বাসা বেঁধেছে ছত্রাক , ওপর দিয়ে হাঁটা চলা করছে মাছি , খাবার রাখা রয়েছে শৌচালয়ের সামনে কোথাও আবার দেদার ব্যবহার করা হচ্ছে বিষাক্ত ফুড কালার ।

এমন বেহাল অবস্থা দেখে লাগাতার শুরু হয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান উঠে আসে একের পর শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গার রেস্তোরা থেকে শুরু করে নামিদামী মলের রেস্টুরেন্টের কীর্তিকলাপ ! নেই বৈধ লাইসেন্স কোথাও আবার রাখা ফাঙ্গাস পড়া পাউরুটি , মেয়াদউত্তীর্ণ পানিও থেকে শুরু করে একের পর এক খাবার , অপরিষ্কার জায়গায় তৈরী করা হচ্ছে খাবার এমন একাধিক তথ্য ।
ঠিক সেই মতো আবারও আজ শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি মলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর , আর ঠিক সেখানেও সেই একই পরিস্থিতি ! বাইরের যে কোনো দোকান হোক কিংবা নামিদামী রেস্তোরা সব জায়গায় যেন একই পরিস্থিতি তাই এবার বাইরের কিছু খাওয়ার আগে সাবধান !
