নিজস্ব প্রতিনিধি: ধর্মীয় নিষ্ঠা, ভক্তি ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ বছরও মাতৃকুটিরে সাড়ম্বরে উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাপূজা। মহাঅষ্টমী উপলক্ষে বিশেষ আকর্ষণ ছিল কুমারী পূজা। পাশাপাশি পূজা, অঞ্জলি, ভোগ নিবেদন ও সন্ধিপূজার আয়োজন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
সন্ন্যাসিনী মাতাজীর উপস্থিতিতে কুমারী পূজা
এবারের কুমারী পূজায় উপস্থিত ছিলেন শিবানন্দ যোগ বেদান্ত আশ্রমের সেক্রেটারি মাতাজী। তাঁর হাতেই বিশেষ এই কুমারী পূজা সুসম্পন্ন হয়। মহিলা পুরোহিতদের পরিচালনায় মহাঅষ্টমীর অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়।
মহানবমীতে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন
মহানবমী উপলক্ষে পুজো, অঞ্জলি ও ভোগ নিবেদনের পাশাপাশি বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের দিনগুলিতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভক্তদের মধ্যে আধ্যাত্মিক চেতনা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই উদ্যোক্তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
পূজার পাশাপাশি সমাজসেবায় মাতৃকুটির
ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে মাতৃকুটির। উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে বস্ত্র বিতরণ ও প্রসাদ বিতরণের। নবমীর দিনও প্রসাদ বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
ঐক্য ও মানবিকতার বার্তা
মাতৃকুটিরের সেবিকা প্রিয়ম্বদা বিশ্বাস বলেন, “পূজা মানেই একতা, চেতনার উন্মোচন এবং সচেতনতার নতুন ধাপে এগিয়ে যাওয়া। পূজা ভেদাভেদ ভুলে চেনা-অচেনা, দূরের ও কাছের সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে দেয়।”
তাঁর কথায়, মাতৃকুটিরের পক্ষ থেকে সব সময় ঐক্যবদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। পূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক ঐক্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।