দফতরের আধিকারিকরা অভিযানে গিয়ে দেখতে পান, পবের ভিতরে একাধিক যুবক-যুবতীকে হুঁকা পরিবেশন করা হচ্ছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের দল পৌঁছাতেই পাবে হইচই পড়ে যায়। এরপর পব কর্তৃপক্ষের কাছে হুঁকা পরিবেশনের বৈধ অনুমতি ও প্রয়োজনীয় নথি চাওয়া হলে তারা কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে জানা যায়।
সূত্রের খবর, পবের ম্যানেজারও স্বীকার করেছেন যে হুঁকা পরিবেশনের জন্য তাদের কাছে কোনও বৈধ অনুমতি ছিল না। এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে অনুমতি ছাড়া এই ব্যবসা কীভাবে চলছিল এবং কারা এর জন্য দায়ী।
উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার পাব ও বারগুলিতে বহু বছর আগেই হুঁকা পরিবেশনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তার পরেও শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় অবস্থিত একটি পাবে প্রকাশ্যে হুঁকা পরিবেশনের ঘটনা সামনে আসায় প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পব পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন যে শুধু ‘ডাগআউট’ নয়, শহরের আরও একাধিক পাব ও বারেও একইভাবে হুঁকা পরিবেশন করা হয়। এই দাবি সত্য হলে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সিলিগুড়ির বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ হুঁকা ব্যবসা চলছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এই অভিযানের পর শহরের অন্যান্য পাব ও বার মালিকদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামী দিনে শহরের আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হতে পারে।
সেবক রোডের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন প্রশ্ন একটাই—নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এতদিন ধরে কীভাবে চলছিল হুঁকা ব্যবসা? এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর শিলিগুড়িবাসীর।