শিলিগুড়ি,২৭ জুন: মন্ত্রীর কড়া নির্দেশ এর পর দ্রুত পদক্ষেপ নিল ভক্তিনগর থানা এবং আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ। অবৈধ বালি কারবারের অভিযোগে অভিযুক্ত উত্তম বারুইকে শুক্রবার তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে আশিঘর এলাকায় অবৈধভাবে বালি মজুত করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগ ওঠে উত্তম বারুইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গা থেকে বালি এনে এলাকায় মজুত করে সেখান থেকেই ব্যবসা চালানো হচ্ছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব একটি বালিভর্তি ট্রাক আটক করে আশিঘর ফাড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি।
শুক্রবার আশিঘর এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শোনার পাশাপাশি তিনি আশিঘর ফাঁড়িতে গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। দ্রুত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আইসি স্পষ্ট বার্তা দেন,এই বিষয়ে যেন তাঁকে দ্বিতীয়বার থানায় এসে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে না হয়।
মন্ত্রীর ওই কড়া নির্দেশের পরই তৎপর হয়ে ওঠে ভক্তিনগর থানার পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে উত্তম বারুইকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তম বারুইয়ের অবৈধ বালি কারবারের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, কোথা থেকে বালি আনা হতো, কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে একাধিক দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে আরও গ্রেপ্তারির সম্ভাবনাও রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। একই সঙ্গে এই চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত রয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতকে শনিবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়। গোটা ঘটনার তদন্তে পুলিশ।
অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হবে এবং তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।